Dhaka ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অর্থ আত্মসাৎ মামলা তদন্তে সাকিবসহ ১৫ জনকে দুদকে তলব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৯ নিউজ ভিউ

অর্থ আত্মসাৎ মামলা তদন্তের স্বার্থে জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও পতিত সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাকিব আল হাসানসহ মোট ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, পরস্পর যোগসাজশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত আইন (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ১৭ ধারা) পরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের মামলার তদন্তের স্বার্থে এজাহারনামীয় সাকিব আল হাসানসহ মোট ১৫ আসামিকে আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি সাকিব আল হাসানকে ২৬ নভেম্বর সকাল ১০টায় দুদকের ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মামলা সংশ্লিষ্ট বক্তব্য দিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গত ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে শেয়ার বাজারে অর্থ লোপাটের মামলাটি দায়ের করেন। এতে আসামি করা হয়েছে সাকিবের মা শিরিন আক্তার, সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের ওরফে হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজামকে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসৎ অভিপ্রায়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনপূর্বক নিজের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টসমূহে অসাধু, অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে ফটকা ব্যবসার মতো ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক সক্রিয় বাণিজ্য, জুয়ামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাজার কারসাজি করতেন।  এভাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তাদের বিনিয়োগকৃত ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন এবং অর্জিত অপরাধলব্ধ অর্থ শেয়ার বাজার হতে সংঘবদ্ধভাবে উত্তোলন করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আসামি আবুল খায়ের ওরফে হিরুর ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার টাকার অস্বাভাবিক, অযৌক্তিক এবং সন্দেহজনক প্রকৃতির লেনদেন দেখা গেছে, যার প্রেক্ষিতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১২০বি/১০৯ ধারায় মামলাটি রুজু হয়েছে।

Author

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

কমলগঞ্জে নারী অপহরণের চেষ্টা: ৩ জন গ্রেফতার, ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার′

.copy_right_section { display: none; }

অর্থ আত্মসাৎ মামলা তদন্তে সাকিবসহ ১৫ জনকে দুদকে তলব

আপডেটের সময়: ০৫:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

অর্থ আত্মসাৎ মামলা তদন্তের স্বার্থে জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও পতিত সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাকিব আল হাসানসহ মোট ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, পরস্পর যোগসাজশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত আইন (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ১৭ ধারা) পরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের মামলার তদন্তের স্বার্থে এজাহারনামীয় সাকিব আল হাসানসহ মোট ১৫ আসামিকে আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি সাকিব আল হাসানকে ২৬ নভেম্বর সকাল ১০টায় দুদকের ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মামলা সংশ্লিষ্ট বক্তব্য দিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গত ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে শেয়ার বাজারে অর্থ লোপাটের মামলাটি দায়ের করেন। এতে আসামি করা হয়েছে সাকিবের মা শিরিন আক্তার, সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের ওরফে হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজামকে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসৎ অভিপ্রায়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনপূর্বক নিজের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টসমূহে অসাধু, অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে ফটকা ব্যবসার মতো ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক সক্রিয় বাণিজ্য, জুয়ামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাজার কারসাজি করতেন।  এভাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তাদের বিনিয়োগকৃত ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন এবং অর্জিত অপরাধলব্ধ অর্থ শেয়ার বাজার হতে সংঘবদ্ধভাবে উত্তোলন করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আসামি আবুল খায়ের ওরফে হিরুর ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার টাকার অস্বাভাবিক, অযৌক্তিক এবং সন্দেহজনক প্রকৃতির লেনদেন দেখা গেছে, যার প্রেক্ষিতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১২০বি/১০৯ ধারায় মামলাটি রুজু হয়েছে।

Author