Dhaka ০৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজার খলিলপুরে বিকাশের টাকা হ্যাকের জেরে সংঘর্ষ: ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

মৌলভীবাজার ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের কাটরাই গ্রামে বিকাশের টাকা হ্যাক করার ঘটনায় উত্তেজনার সুত্র ধরে শিশুদের খেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিকাশের টাকা হ্যাক করার ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে ভোক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষ মৌলভীবাজার মডেল থানা ও শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে দুইটি মামলা হয়েছে।
জানা যায়, ২২ জানুয়ারী ২০২৫ সালে সামছুল ইসলাম ও সাইদুল ইসলামের একটি মোবাইল থেকে ট্রানজেকশন নং ক্যাম ২৫ এক্সকিউ ৯৮ এর মাধ্যমে বিকাশ থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকা হ্যাক। এঘর্টনায় সন্দেহ করা হয় পাশের বাড়ির সোয়েব মিয়াকে। সোয়েব মিয়া পুর্বেও বিকাশের টাকা হ্যাক করার অপরাধে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এ ব্যাপারে সামছুল ইসলাম বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি জিডি করেন, জিডি নং- ১৩৩৬।
বিকাশ হ্যাকের ঘটনা বিষয়টি জানাজানি হলে সোয়েব মিয়ার পিতা আখল মিয়া স্থানীয় মেম্বার আহমদ আলী, আব্দুর রহিম, জামাল মিয়া, আফতাব আলী, সঞ্জব মিয়া, মহসিন মিয়া শালিস বৈঠকের মাধ্যমে সোয়েব মিয়া বিকাশ হ্যাকের টাকা ফেরৎ দেওয়ার সিন্ধান্ত হয়। জানা যায় সোয়েব মিয়া এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সাইভার অপরাধ ও হ্যাকিং এর মত অপরাধের।
এ ঘটনার জের ধরে ৩ ডিসেম্বর বাচ্চাদের মাটি নিয়ে খেলাধুলা করা নিয়ে আখল মিয়ার পরিবার ও সামছুল ইসলামের পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে উভয় পরিবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় আকল মিয়া ও তার ছেলে সহ সামছুল ইসলামের মা হাওয়া বেগম দায়ের কুপে মারাত্নক আহত হন।
ভোক্তভোগী সামছুল ইসলামের মা হাওয়া বেগম বলেন, আমার ছেলেদের মোবাইল হ্যাক করে বিকাশ থেকে টাকা নিয়া গেছে সোয়ের মিয়া। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগণ এবং স্থানীয় মেম্বার বিষয় টি সমাধান করার আশ্বাস দেন। আমার ছেলেদের মোবাইল থেকে টাকা হ্যাক করে নেয় বিষয়টি তার পিতা শেষ করতে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি নিয়ে বসেন। পরে আহমদ আলী মেম্বারের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের কথা ছিল। আহমদ আলী মেম্বার লন্ডনে চলে যাওয়ায় আর সমাধান হয়নি। এ বিষয় নিয়ে আখল মিয়া পরিবার আমার উপর ক্ষিপ্ত ছিল।
ভোক্তভোগী সামছুল ইসলামের ফুফাতো ভাই রুমান মিয়া জানান প্রায় প্রচুর মানুষের টাকা হ্যাক করে নিয়ে যায়। আমাদের বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে, বেড়া দিয়ে আমাদের চলাফেরা খুব কষ্ট হচ্ছে।
ভোক্তভোগী পরিবারের সাইদুল ইসলাম এর স্ত্রী রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন বিকাশ থেকে টাকা হ্যাক করার কারণে,এই থেকে তাদের সাথে আমাদের শত্রুতা। ছোট বাচ্চা বাইরে খেলাধুলা করার সময় প্রতিপক্ষের মেয়ে আমার বাচ্চাটাকে গালিগালাজ করছে। পাশের বাড়ির একজন লন্ডন প্রবাসী আব্দুল আমিন কালাই আওয়ামীলীগ করেন। সেই দেশের বাহিরে থেকে এখনও ক্ষমতার দাপট দেখছে।
ভোক্তভোগী সামছুল ইসলাম বলেন, আখল মিয়ার ছেলে সোয়েব মিয়া বিষয়টি শেষ করতে চেয়েছিলো কিন্তু আমাদের পাশের বাড়ির লন্ডন প্রবাসী আওয়ামী লীগ আব্দুল আমিন কালাই তাদের বিষয়টি শেষ করতে দেয় নাই। সে লন্ডন থেকে বসে আমাদের হয়রানির জন্য গ্রামের কিছু সুবিধাভোগি লোক দিয়ে আমাদের পরিবারকে চাপে রাখার জন্য কঠিন চেষ্টা করছে। আমাদের অভিযোগ শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে করার পর মামলা রেকর্ড হয়নি। অতচ তাদের মামলা মৌলভীবাজার মডেল থানা রেকর্ড করেছে।
মোঃ আফতাব আলী বলেন টাকা বিকাশ থেকে হ্যাক করে নিয়ে গেছে। আমরা গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ সোয়েব মিয়া এর বাবাকে জিজ্ঞেস করলে তার বাবা জবাব দিল,আমার ছেলে টাকা নিলেও ভালো না নিলেও ভালো আমরা টাকা ফেরত দেবো। অথচ শহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুল ইসলাম বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি শহীদ জিয়া পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি।
এলাকারবাসী আব্দুর রহিম বলেন বিকাশ থেকে টাকা চুরি হয়ে গেছে। ঐদিন রাত্রে আমরা সাত /আট জন লোক আসার পরে ওরা স্বীকার করে যে,মেম্বার সাহেবের কাছে টাকা দিয়ে দেবে। শামসুল মিয়া মামলা করে নাই, আকুল মিয়া মামলা করছে, চেয়ারম্যান সাহেব দুদিন এসেছেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ অনেকবার এসেছেন আপস করার জন্য আখল মিয়া আপস করবে না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে মেয়ে নিয়ে,আসলে মেয়ের ঘটনাটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এলাকাবাসী ইছকন মিয়া স্ত্রী জানান, বিকাশের টাকা হ্যাক করা নিয়ে আখল মিয়ার সাথে বিচার হয়েছিল। হয়রানির শিকার শহিদুল ইসলামের পরিবারের দাবী অর্থের বিনিময়ে শহিদুলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। বিএনপির শহীদ জিয়া পরিষদের মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি পদে থাকার পরও আখল মিয়ার যোগ সাজসে পুলিশ আওয়ামীলীগ বলে তাকে গ্রেফতার করেছে।
আমেরিকা প্রবাসী আবিদ মিয়ার সাথে মোটাফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,তাদের দুই পক্ষের বিষয়টা আমি চুড়ান্ত ভাবে ক্ষতি গ্রস্ত লোকদের সর্বোচ্চ ক্ষতি পুরন বহন করে পারিবারিক ও গ্রামভিত্তিক সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখানে তৃতীয় একটি পক্ষ থাকায় আমি সুন্দর করে সমাধান করতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। পরে সামছুল মিয়া অভিযোগ করেন তৃতীয় পক্ষ আমাকে ও আমার পরিবারকে এখান থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করছে তৃতীয় পক্ষ আখল মিয়া ও আমাকে উভয়কে ক্ষতির মধ্যে রাখছে বিষয়টা সমাধানের চেষ্টা করা হলে, তৃতীয় পক্ষ সমাধান চাচ্ছে না ।
অভিযোগকারী সোয়েব মিয়ার সাথে মোঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেেল মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু মিয়া চৌধুরী বলেন, রাত ১২ টায় সামছুল ইসলাম আমাকে ফোন দিয়ে মারামারির ঘটনা বলে। আমি পরের দিন তাদের এলাকায় যাই। আমি শালিসে শেষ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মধ্যখানে তৃতীয় পক্ষ ঢোকে পড়ায় বিষয়টি শেষ করা যাচ্ছেনা। তবে আমি হাল ছাড়িনি, এখনও আশাবাদী। তবে বিকাশ হ্যাকের বিষয় তিনি জানেন না বলে জানান।
শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শিপু দাশ বলেন, আমি বিকাশ হ্যাকের ঘটনা কিছু জানিনা। তবে শিশুদের খেলা নিয়ে মারামারি হয়েছে। আমাদের পুলিশের সদর সার্কেল সহ পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Author

ট্যাগ :
.copy_right_section { display: none; }

মৌলভীবাজার খলিলপুরে বিকাশের টাকা হ্যাকের জেরে সংঘর্ষ: ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

আপডেটের সময়: ০৯:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

মৌলভীবাজার ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের কাটরাই গ্রামে বিকাশের টাকা হ্যাক করার ঘটনায় উত্তেজনার সুত্র ধরে শিশুদের খেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিকাশের টাকা হ্যাক করার ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে ভোক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষ মৌলভীবাজার মডেল থানা ও শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে দুইটি মামলা হয়েছে।
জানা যায়, ২২ জানুয়ারী ২০২৫ সালে সামছুল ইসলাম ও সাইদুল ইসলামের একটি মোবাইল থেকে ট্রানজেকশন নং ক্যাম ২৫ এক্সকিউ ৯৮ এর মাধ্যমে বিকাশ থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকা হ্যাক। এঘর্টনায় সন্দেহ করা হয় পাশের বাড়ির সোয়েব মিয়াকে। সোয়েব মিয়া পুর্বেও বিকাশের টাকা হ্যাক করার অপরাধে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এ ব্যাপারে সামছুল ইসলাম বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি জিডি করেন, জিডি নং- ১৩৩৬।
বিকাশ হ্যাকের ঘটনা বিষয়টি জানাজানি হলে সোয়েব মিয়ার পিতা আখল মিয়া স্থানীয় মেম্বার আহমদ আলী, আব্দুর রহিম, জামাল মিয়া, আফতাব আলী, সঞ্জব মিয়া, মহসিন মিয়া শালিস বৈঠকের মাধ্যমে সোয়েব মিয়া বিকাশ হ্যাকের টাকা ফেরৎ দেওয়ার সিন্ধান্ত হয়। জানা যায় সোয়েব মিয়া এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সাইভার অপরাধ ও হ্যাকিং এর মত অপরাধের।
এ ঘটনার জের ধরে ৩ ডিসেম্বর বাচ্চাদের মাটি নিয়ে খেলাধুলা করা নিয়ে আখল মিয়ার পরিবার ও সামছুল ইসলামের পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে উভয় পরিবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় আকল মিয়া ও তার ছেলে সহ সামছুল ইসলামের মা হাওয়া বেগম দায়ের কুপে মারাত্নক আহত হন।
ভোক্তভোগী সামছুল ইসলামের মা হাওয়া বেগম বলেন, আমার ছেলেদের মোবাইল হ্যাক করে বিকাশ থেকে টাকা নিয়া গেছে সোয়ের মিয়া। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগণ এবং স্থানীয় মেম্বার বিষয় টি সমাধান করার আশ্বাস দেন। আমার ছেলেদের মোবাইল থেকে টাকা হ্যাক করে নেয় বিষয়টি তার পিতা শেষ করতে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি নিয়ে বসেন। পরে আহমদ আলী মেম্বারের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের কথা ছিল। আহমদ আলী মেম্বার লন্ডনে চলে যাওয়ায় আর সমাধান হয়নি। এ বিষয় নিয়ে আখল মিয়া পরিবার আমার উপর ক্ষিপ্ত ছিল।
ভোক্তভোগী সামছুল ইসলামের ফুফাতো ভাই রুমান মিয়া জানান প্রায় প্রচুর মানুষের টাকা হ্যাক করে নিয়ে যায়। আমাদের বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে, বেড়া দিয়ে আমাদের চলাফেরা খুব কষ্ট হচ্ছে।
ভোক্তভোগী পরিবারের সাইদুল ইসলাম এর স্ত্রী রানু বেগম অভিযোগ করে বলেন বিকাশ থেকে টাকা হ্যাক করার কারণে,এই থেকে তাদের সাথে আমাদের শত্রুতা। ছোট বাচ্চা বাইরে খেলাধুলা করার সময় প্রতিপক্ষের মেয়ে আমার বাচ্চাটাকে গালিগালাজ করছে। পাশের বাড়ির একজন লন্ডন প্রবাসী আব্দুল আমিন কালাই আওয়ামীলীগ করেন। সেই দেশের বাহিরে থেকে এখনও ক্ষমতার দাপট দেখছে।
ভোক্তভোগী সামছুল ইসলাম বলেন, আখল মিয়ার ছেলে সোয়েব মিয়া বিষয়টি শেষ করতে চেয়েছিলো কিন্তু আমাদের পাশের বাড়ির লন্ডন প্রবাসী আওয়ামী লীগ আব্দুল আমিন কালাই তাদের বিষয়টি শেষ করতে দেয় নাই। সে লন্ডন থেকে বসে আমাদের হয়রানির জন্য গ্রামের কিছু সুবিধাভোগি লোক দিয়ে আমাদের পরিবারকে চাপে রাখার জন্য কঠিন চেষ্টা করছে। আমাদের অভিযোগ শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে করার পর মামলা রেকর্ড হয়নি। অতচ তাদের মামলা মৌলভীবাজার মডেল থানা রেকর্ড করেছে।
মোঃ আফতাব আলী বলেন টাকা বিকাশ থেকে হ্যাক করে নিয়ে গেছে। আমরা গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ সোয়েব মিয়া এর বাবাকে জিজ্ঞেস করলে তার বাবা জবাব দিল,আমার ছেলে টাকা নিলেও ভালো না নিলেও ভালো আমরা টাকা ফেরত দেবো। অথচ শহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুল ইসলাম বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি শহীদ জিয়া পরিষদ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি।
এলাকারবাসী আব্দুর রহিম বলেন বিকাশ থেকে টাকা চুরি হয়ে গেছে। ঐদিন রাত্রে আমরা সাত /আট জন লোক আসার পরে ওরা স্বীকার করে যে,মেম্বার সাহেবের কাছে টাকা দিয়ে দেবে। শামসুল মিয়া মামলা করে নাই, আকুল মিয়া মামলা করছে, চেয়ারম্যান সাহেব দুদিন এসেছেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ অনেকবার এসেছেন আপস করার জন্য আখল মিয়া আপস করবে না। এখন বিষয়টা হয়ে গেছে মেয়ে নিয়ে,আসলে মেয়ের ঘটনাটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এলাকাবাসী ইছকন মিয়া স্ত্রী জানান, বিকাশের টাকা হ্যাক করা নিয়ে আখল মিয়ার সাথে বিচার হয়েছিল। হয়রানির শিকার শহিদুল ইসলামের পরিবারের দাবী অর্থের বিনিময়ে শহিদুলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। বিএনপির শহীদ জিয়া পরিষদের মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি পদে থাকার পরও আখল মিয়ার যোগ সাজসে পুলিশ আওয়ামীলীগ বলে তাকে গ্রেফতার করেছে।
আমেরিকা প্রবাসী আবিদ মিয়ার সাথে মোটাফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,তাদের দুই পক্ষের বিষয়টা আমি চুড়ান্ত ভাবে ক্ষতি গ্রস্ত লোকদের সর্বোচ্চ ক্ষতি পুরন বহন করে পারিবারিক ও গ্রামভিত্তিক সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখানে তৃতীয় একটি পক্ষ থাকায় আমি সুন্দর করে সমাধান করতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। পরে সামছুল মিয়া অভিযোগ করেন তৃতীয় পক্ষ আমাকে ও আমার পরিবারকে এখান থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করছে তৃতীয় পক্ষ আখল মিয়া ও আমাকে উভয়কে ক্ষতির মধ্যে রাখছে বিষয়টা সমাধানের চেষ্টা করা হলে, তৃতীয় পক্ষ সমাধান চাচ্ছে না ।
অভিযোগকারী সোয়েব মিয়ার সাথে মোঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেেল মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু মিয়া চৌধুরী বলেন, রাত ১২ টায় সামছুল ইসলাম আমাকে ফোন দিয়ে মারামারির ঘটনা বলে। আমি পরের দিন তাদের এলাকায় যাই। আমি শালিসে শেষ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মধ্যখানে তৃতীয় পক্ষ ঢোকে পড়ায় বিষয়টি শেষ করা যাচ্ছেনা। তবে আমি হাল ছাড়িনি, এখনও আশাবাদী। তবে বিকাশ হ্যাকের বিষয় তিনি জানেন না বলে জানান।
শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শিপু দাশ বলেন, আমি বিকাশ হ্যাকের ঘটনা কিছু জানিনা। তবে শিশুদের খেলা নিয়ে মারামারি হয়েছে। আমাদের পুলিশের সদর সার্কেল সহ পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Author