Dhaka ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতির আরেক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এমন দাবি যুক্তিতর্কে টেকেনি বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন বিচারক কলিন লরেন্স সেকেরাহ। তিনি বলেন, নাজিবের বিরুদ্ধে থাকা কঠোর ও অকাট্য প্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে, তিনি ১এমডিবি কেলেঙ্কারিতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

বিচারকের রায়ে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং ১এমডিবির উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নাজিব যে ব্যাপক ক্ষমতা ভোগ করতেন, তা ব্যবহার করেই তিনি অপরাধ সংঘটিত করেন। এমন প্রমাণ আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে।

মামলার প্রতিটি অভিযোগে সর্বনিম্ন ১৫ থেকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে এ মামলায় নাজিবের চূড়ান্ত সাজা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, নাজিব তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ১এমডিবি থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ এক দশকেরও বেশি সময় আগে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে একই কেলেঙ্কারির একটি মামলায় নাজিব রাজাককে প্রায় ৯৯ লাখ মার্কিন ডলার আত্মসাতের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার সেই সাজা কমিয়ে ছয় বছর করা হয়।

 

Author

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

কমলগঞ্জে নারী অপহরণের চেষ্টা: ৩ জন গ্রেফতার, ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার′

.copy_right_section { display: none; }

দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:২৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দুর্নীতির আরেক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এমন দাবি যুক্তিতর্কে টেকেনি বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন বিচারক কলিন লরেন্স সেকেরাহ। তিনি বলেন, নাজিবের বিরুদ্ধে থাকা কঠোর ও অকাট্য প্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে, তিনি ১এমডিবি কেলেঙ্কারিতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

বিচারকের রায়ে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং ১এমডিবির উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নাজিব যে ব্যাপক ক্ষমতা ভোগ করতেন, তা ব্যবহার করেই তিনি অপরাধ সংঘটিত করেন। এমন প্রমাণ আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে।

মামলার প্রতিটি অভিযোগে সর্বনিম্ন ১৫ থেকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে এ মামলায় নাজিবের চূড়ান্ত সাজা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, নাজিব তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ১এমডিবি থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ এক দশকেরও বেশি সময় আগে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে একই কেলেঙ্কারির একটি মামলায় নাজিব রাজাককে প্রায় ৯৯ লাখ মার্কিন ডলার আত্মসাতের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার সেই সাজা কমিয়ে ছয় বছর করা হয়।

 

Author